নতুন মা বাবারা প্রায় বাচ্চাদের পরির্চযা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে চিন্তিত থাকেন ,কি ব্যাবহার করবেন কি করবেনা এই নিয়ে।বাজারে অজস্র রাসায়নিক উপাদানের ভিড়ে আমরা প্রায় প্রাকৃতিক উপাদান এর কথা ভুলে যায়।যা নিরাপদ এবং গুনাগুনে ভরপুর,আমরা সহজে তা পেতে পারি ।কোন প্রাকৃতিক উপাদান কি কাজে লাগে বা কি ভাবে ব্যাবহার করতে হয় আমরা অনেকে জানিনা , কিন্তু খুব সহজেই কিছু তথ্যর মাধ্যমে আমরা তা জানতে পারি ।
শিশুরা প্রায় রোগবালাই এ আক্রান্ত হয় ফলে, মা বাবারা বেশ চিন্তিত হন ।শক্তিশালী ইমিউন সিস্টেম ছাড়া শরীর ক্ষতিকারক জীবাণুর মোকাবিলা করতে পারে না। শিশুদের ক্ষেত্রে শক্তিশালী ইমিউন সিস্টেম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমদের উচিত শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষ্মতা বাড়ানো যাতে তারা সবসময় সুস্থ থাকে।
আমরা আমাদের এই আর্টিকেল এর মাধমে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য কিছু কার্যকর ভেষজের কথা উল্লেখ করবো ।
তুলসি: তুলসি ভেষজে গুণে সমৃদ্ধ একটি উদ্ভিদ। তুলসির পাতা, ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে কার্যকর। শিশুদের তুলসি পাতার রস করে খাওয়াতে পারেন। তুলসি পাতা পানিতে ভিজিয়েও সেই পানি খাওয়াতে পারেন।
অ্যালোভেরাঃ অ্যালোভেরার পাতা থেকে প্রাপ্ত জেলে প্রয়োজনীয় প্রোটিন এবং ভিটামিন রয়েছে যা ত্বকের যত্নের জন্য চমৎকার। চুলকানি, ফুসকুড়ি হলে এটি ব্যাবহার করলে ত্বককে শীতল ও প্রশমিত করে তাছাড়া ছোটখাটো কাটা, পোড়া, পোকামাকড়ের কামড় নিরাময় করতে নিরাপদে ব্যবহার করা যেতে পারে ।
যষ্টিমধু : যষ্টিমধু শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী হিসেবে কাজ করে। এতে থাকা অ্যান্টি-ভাইরাল বৈশিষ্ট্য শরীরে রোগ সৃষ্টিকারী প্যাথোজেনগুলির বিস্তার রোধ করতে সহায়তা করে। শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খাবারে সামান্য পরিমাণে যষ্টিমধু যোগ করতে পারেন।

অলিভ অয়েলঃ
অলিভ অয়েলে প্রাকৃতিকভাবে লিনোলিক অ্যাসিড এবং অলিক অ্যাসিড নামক উপকারী ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণ বেশি। বৈজ্ঞানিক গবেষণা পরামর্শ দেয় যে লিনোলিক অ্যাসিড আপনার শিশুর ত্বকের সুরক্ষা প্রদান করে।
আদাঃ আদাই রয়েছে প্রচুর উপকারি উপাদান যা শিশুদের জন্য ভালো।এটি পেটের গ্যাস কমানো ,সাধারণ কাশি এবং ঠান্ডার জন্য একটি সম্ভাব্য প্রতিকার । তাছাড়া পেটে ব্যথার অপসারণ করে।কাশি হলে শিশুকে পরিমিত আদার রস খাওয়ালে উপকার পাওয়া যাই।
মধুঃ আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় বাচ্চাদের খুব সহজে ঠান্ডা লেগে বুকে কফ জমে সুতরাং বাচ্চাদের নিয়মিত মধু খাওয়াতে পারলে আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় ঠান্ডা লাগার প্রবণতা কমে আসে তাছাড়া বিভিন্ন ক্ষতস্থান দ্রুত শুকাতে এবং ক্ষত কমাতে সাহায্য করে মধু।
কাঁচা হলুদঃকাঁচা হলুদে কার্কিউমিন এবং আরও নানা সব অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান ক্ষতের যন্ত্রণা কমায় ফলে শিশুদের শরিরে কোথাও কেটে গেলে কিংবা আঘাত লাগলে হলুদের প্রলেপ দেওয়া যায় ।
নিমঃ বাচ্চাদের পেটের কৃমি নির্মূল করতে নিমের পাতার জুড়ি নেই। দাঁতের সুস্থতায় নিমের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করার প্রচলন রয়েছে সেই প্রাচীনকাল থেকেই। নিমের পাতা ও ছালের গুড়া কিংবা নিমের ডাল দিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজলে দাঁত হবে মজবুত, রক্ষা পাবেন দন্ত রোগ থেকেও।
এই উপাদানগুল অবশ্যয় পরিমিত ও সঠিক পদ্ধতি ব্যাবহার করতে হবে । প্রাকৃতিতে আরো উপাদান আছে যা শিশুদের উপকার করে ।ইন্টারনেট থেকে আমরা তা সর্ম্পকে সহজে জানতে পারি।

