এর থেকে সস্তা কোন ক্রীম সম্ভবত দেশে নেই। সস্তা কথা টা শুনে আপনার মাথায় কত টাকা আসছে? ১০০/১৫০ বা ২০০ টাকার মধ্যে। তাই তো!
এর দাম এর থেকে ও কম! এবার নিশ্চই অনেক গুলো নেগেটিভ কথা চলে আসবে।তবে আপনারা নেগেটিভ কিছু বলার আগে, আমি একটু বিস্তারিত জানাতে চাই এই ক্রীম এর বিষয়ে।
এটা একটা দেশি ব্র্যান্ড এর ক্রীম। সম্পূর্ণ দেশি। কোম্পানি র নাম মৌসুমি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। ক্রীমের নাম “কিউট উইন্টার গ্লো ময়েশ্চারাইজার ক্রীম”। ৯০ এর দশকে বা ২০০০ এর পরপর ও টিভিতে “ কিউট” এর বিজ্ঞাপন খুব পরিচিত ছিল। কিউট কোল্ড ক্রীম ও খুব সাধারণ জীবন যাপনে অভ্যস্ত মানুষের ঘরে ঘরে ছিল।
এখন প্রশ্ন হলো এই ২০২৬ সালেও কি এই ক্রীম পাওয়া যায়? তাও দেশি!
সত্যিই এটা একটা প্রশ্ন। গত ২ বছর থেকে আমি নিজের প্রয়োজনের কসমেটিকস প্রোডাক্ট গুলো খুঁজে খুঁজে দেশি ব্র্যান্ড এর কিনে ব্যবহার করার চেষ্টা করছি।
গত বছর শীতের সময় দেশি ময়েশ্চারাইজার কেনার আগে বেশ তল্লাশি চালালাম নেট এ। রাজকন্যা, স্কীন ক্যাফে, সিগনেচার আরও বেশ কিছু দেশি ক্রীম পেয়েছিলাম। চোখ আটকে গিয়েছিল কিউট উইন্টার গ্লো ময়েশ্চারাইজার ক্রীম টা দেখে। একটু খুঁজে দেখলাম, এটা আপডেট কি না! দেখি যে হ্যাঁ, এটা এখন পাওয়া যায় এমন একটা ক্রীম।
আমি থাকি রাজশাহীতে। এখানে বাজারে এই ক্রীম খুঁজে পাওয়া সহজ ছিল না। বেশির ভাগ দোকানি এই ক্রীম চিনতে পারে নি। তাদের ভাষ্য, “এই ক্রীম আছে নাকি?” তারপর ও বাজারেই খুঁজে পেয়েছি। ব্যবহার করেছি এবং এখনো কিছুটা আছে।

প্যাকেজিং: যথেষ্ট স্মার্ট একটা প্যাকেট। কন্টেইনার এর মুখে পাতলা একটা প্লাস্টিকের কভার আছে। এটা আমার বেশি আকর্ষণীয় লেগেছে।
টেক্সচার অনেক টা কুশন টাইপ। কুশন টাইপ মানে, ওপরের সারফেস বেশ মসৃণ আর আঙ্গুলের ডগা দিয়ে চাপ দিয়ে তুলে নেওয়া যায় না। হাতে চাপ দিলে আঙ্গুলে লেগে যায় না। নখের আচড়ে টেনে তুলতে হয়।
মুখে ব্যবহার করার পর অনুভূতি কেমন?
প্রথমে মুখ হালকা ঘেমে যায়। এছাড়া আর অন্য কোন অস্বস্তিকর ভাব নেই। তেলতেলে ভাব নেই, তবে সফট একটা ফিল দেয়। মুখের ময়েশ্চারাইজেশনের জন্য যতটা প্রয়োজন, ততটা পাবেন। আমার ত্বক oily. গরমের সময় ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না, তবে শীতকাল সহ বছরের বাকি যে সময় গুলো, ত্বক টান টান ধরে সে সময় গুলো ভালোমতো ব্যবহার করতে পারলাম। যাদের Dry skin তারাও এটা ব্যবহার করতে পারবেন সারা বছর।

প্যাকেজিং: যথেষ্ট স্মার্ট একটা প্যাকেট। কন্টেইনার এর মুখে পাতলা একটা প্লাস্টিকের কভার আছে। এটা আমার বেশি আকর্ষণীয় লেগেছে।
টেক্সচার অনেক টা কুশন টাইপ। কুশন টাইপ মানে, ওপরের সারফেস বেশ মসৃণ আর আঙ্গুলের ডগা দিয়ে চাপ দিয়ে তুলে নেওয়া যায় না। হাতে চাপ দিলে আঙ্গুলে লেগে যায় না। নখের আচড়ে টেনে তুলতে হয়।
মুখে ব্যবহার করার পর অনুভূতি কেমন?
প্রথমে মুখ হালকা ঘেমে যায়। এছাড়া আর অন্য কোন অস্বস্তিকর ভাব নেই। তেলতেলে ভাব নেই, তবে সফট একটা ফিল দেয়। মুখের ময়েশ্চারাইজেশনের জন্য যতটা প্রয়োজন, ততটা পাবেন। আমার ত্বক oily. গরমের সময় ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না, তবে শীতকাল সহ বছরের বাকি যে সময় গুলো, ত্বক টান টান ধরে সে সময় গুলো ভালোমতো ব্যবহার করতে পারলাম। যাদের Dry skin তারাও এটা ব্যবহার করতে পারবেন সারা বছর।

